অভিভাবকহীন ১৫ হাজার অভিবাসী শিশুর ভাগ্যে কী আছে ?
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে অভিভাবকহীন অভিবাসী শিশুর সংখ্যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজারে।

অভিভাবকহীন ১৫ হাজার অভিবাসী শিশুর ভাগ্যে কী আছে ?

ইমিগ্রেশন নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে অভিভাবকহীন অভিবাসী শিশুর সংখ্যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজারে। সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য হিল। এই ১৫ হাজারের মধ্যে ১৪ হাজার শিশু রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের জিম্মায়। 

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অভিভাবকহীন অভিবাসী শিশুর মধ্যে ৫ হাজারের বেশি শিশুকে কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশনের আওতায় অস্থায়ীভাবে নির্মিত কাঁচা ঘরে রাখা হয়েছে। আর বাকিদের শনিবার সকাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তের বিভিন্ন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।  

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসের মুখপাত্র মার্ক ওয়েবার সিবিএসকে নিশ্চিত করেছেন যে, তারা অভিভাবকহীন প্রায় ১০ হাজার ৫০০ শিশুর থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। সিবিএসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী একটি শিশু কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশনের জিম্মায় সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা থাকতে পারে, সেখানে তাদের থাকতে হচ্ছে গড়ে ১৩৬ ঘণ্টা করে। 

সিবিএস তাদের প্রতিবেদনে আরও লিখেছে, গেল ২১ দিনে সীমান্তে কর্মকর্তারা দৈনিক ৫০০ অভিভাবকহীন শিশুর সাথে কথা বলেছে। এ সংখ্যা সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসীদের লম্বা সাড়ি নিয়ন্ত্রণে বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনার মধ্যে এমন খবর দিল সিবিএস। অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্পের কঠোর নীতি থেকে বাইডেন প্রশাসনের সরে যাওয়াটাই এর জন্য দায়ী বলে মনে করছেন বিরোধী রিপাবলিকানরা। 

এই শিশুদের কীভাবে রাখা হচ্ছে সে বিষয়ে আরও স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছেন শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। হাজারো শিশুকে বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা কীভাবে রাখছেন জনসম্মুখে তার কোনো ছবি এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস সার্ভিস দ্য হিলকে বলেছে, অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৮০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তির ভিত্তিতে শিগগিরই কিছু অভিবাসী পরিবারকে তারা হোটেলে রাখবেন।  

Leave a Reply