আয়কর সনদ কী কাজে লাগে
নাগরিকদের এই টিআইন সার্টিফিকেটেকেই আয়কর সনদ বলা হয়।

আয়কর সনদ কী কাজে লাগে

ইমিগ্রেশন নিউজ ডেস্ক :

একটি দেশের নাগরিকের কর প্রদান করা প্রয়োজন।জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী কোনো পুরুষদের বছরে তিন লাখ, নারী এবং ৬৫ বছরের উর্ধ্বে সব নাগরিকের সাড়ে তিন লাখ এবং প্রতিবন্ধীদের বছরে সাড়ে চার লাখ টাকার ওপরে আয় হলে কর দিতে হয়। তবে এর নিচে আয় হলে কর দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। মাসে ১৬ হাজার টাকার সমান অর্থ আয় করলে প্রত্যেক নাগরিকের আয়কর সনদ বা টিআইএন সার্টিফিকেট সংগ্রহে রাখা আবশ্যক। নাগরিকদের এই টিআইন সার্টিফিকেটেকেই আয়কর সনদ বলা হয়।

টিআইএন বা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার একটি বিশেষ নম্বর, যা দিয়ে করদাতাকে শনাক্ত করা হয়। নাগরিকদের ব্যবসা, সম্পত্তি ক্রয়, বিদেশ ভ্রমণ, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রয়োজনে আয়কর সনদ বা টিআইএন সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। এই সনদ থাকার সুবিধা হলো যে, আপনি একজন কর প্রদানকারী হিসেবে নিবন্ধিত হবেন। তারপর আয়ের সীমা অনুযায়ী কর প্রদান করবেন। মূলত জনগণের করের টাকায় সরকার জনকল্যাণমূলক কাজগুলো পরিচালনা করে থাকে।

যেসব ক্ষেত্রে করসনদ প্রয়োজন হয়

ব্যবসা শুরু করতে ট্রেড লাইসেন্স নিতে, ক্রেডিট কার্ডের জন্য, কোম্পানির শেয়ার কেনার সময়, গাড়ির মালিক হতে হলে, সিটি করপোরেশনের অঞ্চলে থাকা কোনো জমি, ফ্ল্যাট বা ভবন রেজিস্ট্রেশন করার জন্য, নির্বাচনে প্রার্থী হতে, নিজের কোম্পানি নিবন্ধন করতে, কোনো পণ্য আমদানির লাইসেন্স নিতে, মুক্ত পেশাজীবী যেমন হিসাবরক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলীদের পেশার চর্চা করতে, ব্যবসায়িক সমিতি বা কোনো নিবন্ধিত সংগঠনের সদস্য হতে, সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার দরপত্রে অংশ নিতে এবং রাইড শেয়ারিং কোম্পানিতে গাড়ি দিতে।

কীভাবে সংগ্রহ করবেন

টিআইএন সনদ করা কঠিন কোনো কাজ নয়। কোনো অফিসে না ঘুরেও এই সনদ করা যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফরম পাওয়া যায়। এরপর মোবাইল নাম্বার, জাতীয় পরিচয়পত্র, সদ্য তোলা এক কপি ছবি সহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করলে ঘরে বসেই ই-টিআইএন নম্বর পেয়ে যাবেন।

কর সনদ সংগ্রহ ও এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিন নিচের লিংকে-https://nbr.gov.bd/about-us/nbr-officers-list/ban

Leave a Reply