জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা বিষয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা বিষয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা বিষয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীতে দ্বিতীয়বারের মতো ‘মেডিকেল ফার্স্ট রেসপন্ডার’ শিরোনামে এ সেমিনার পরিচালন করে।

চারদিনব্যাপী এই সেমিনারে অংশ নেন রাজশাহীর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স বিভাগের ১০ জন কর্মকর্তা।

এতে অংশগ্রহণকারীরা ব্যবহারিক অনুশীলনে অংশ নেন এবং প্রত্যেক কর্মকর্তাকে বাংলাদেশ থেকে সংগৃহীত জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামসমৃদ্ধ ফার্স্ট-এইড কিট প্রদান করা হয়।

এই প্রশিক্ষণ জরুরি পরিস্থিতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে মেডিকেল ফার্স্ট রেসপন্ডারদের (জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম সাড়াদানকারী ব্যক্তি) উপযুক্তভাবে সাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী সংস্থাগুলোর সামর্থ্য ও দক্ষতা বৃদ্ধি করছে। এছাড়াও, সেমিনারগুলো বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সম্পর্কেরও প্রতিফলন বলে জানিয়েছে মার্কিন দুতাবাস।

মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশে ২০১৪ সালে এমএফআরএস কার্যক্রম শুরু করার পর এ পর্যন্ত ৬২০ জনেরও বেশি বাংলাদেশী মেডিকেল ফার্স্ট রেসপন্ডারের প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সংঘটিত জরুরি পরিস্থিতিতে প্রথম সাড়াদানকারী প্রতিষ্ঠান হলো ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি)। মেডিকেল ফার্স্ট রেসপন্ডার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেয়া প্রশিক্ষণ ও দরকারি চিকিৎসা সরঞ্জাম জরুরি পরিস্থিতি ও দুর্যোগে প্রথম সাড়াদানকারী হিসেবে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুর্ঘটনা ও দুর্যোগে প্রাণহানি কমানো, পরিস্থিতি স্থিতিশীল করাসহ তাৎক্ষণিক চিকিৎসার মাধ্যমে গুরুতরভাবে জখমের শিকার যেমন ব্যাপক রক্তক্ষরণ, শ্বাস-প্রশ্বাস সমস্যা ও শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি মোকাবেলায় কীভাবে সহায়তা করতে হবে তা শেখেন। এছাড়াও এই প্রশিক্ষণে জরুরি ও দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে মহড়ার মাধ্যমে ব্যবহারিক অনুশীলন করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জরুরি ও দুর্যোগময় পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণ এবং আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো কাজগুলো হাতে কলমে শেখেন।

Leave a Reply