পর্তুগালকে সবুজ জোন হিসেবে ঘোষণা করতে পারে যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং আন্তঃপরিবহন প্রধান শেষ মুহূর্তে এসে পর্তুগালের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

পর্তুগালকে সবুজ জোন হিসেবে ঘোষণা করতে পারে যুক্তরাজ্য

ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল :

ব্রিটিশ সরকার আগামী ১৭ মে থেকে দেশের জনগণের গ্রীষ্মের ছুটি উপভোগ করার জন্য ট্রাফিক সিগন্যালের আদলে সবুজ, হলুদ ও লাল রঙের ভ্রমণ নির্দেশিকা চালু করতে যাচ্ছে। পর্তুগালকে উক্ত সবুজ জোন হিসেবে ঘোষণা করতে পারে যুক্তরাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার (৬ মে) দি ডেইলি সান পত্রিকা বরিস জনসন সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে তথ্যটি জানিয়েছে।

করোনা মহামারির কারণে বর্তমানে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ব্রিটিশ নাগরিকরা পর্তুগাল ভ্রমণ করতে পারছেন না। জরুরি দরকারে ভ্রমণ করলে দেশে ফেরার পর দশ দিন কোরেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে। সাথে সাথে গুনতে হচ্ছে বাড়তি করোনা পরীক্ষার কিটের অর্থ। এছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত জরিমানার আশঙ্কা আর ভ্রমণে পিসিআর টেস্ট তো থাকছেই। তবে গ্রিন জোনের আওতায় পড়া দেশগুলো ভ্রমণে কোরেন্টাইনে থাকার প্রয়োজন হবে না এবং করোনা কিট ও পিসিআর টেস্ট স্বল্পমূল্যে বা নিখরচায় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পত্রিকাটি জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং আন্তঃপরিবহন প্রধান শেষ মুহূর্তে এসে পর্তুগালের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।প্রতিবছর প্রায় ২৫ লাখ ব্রিটিশ পর্যটক পর্তুগাল ভ্রমণ করেন। এছাড়া পর্তুগালের পর্যটন শহর আলগারভে অনেক ব্রিটিশ নাগরিকের সেকেন্ড হোম রয়েছে। তারা গ্রীষ্মের মৌসুমে পুরোটা সময় এখানেই অতিবাহিত করেন। বলার অপেক্ষা রাখে না এই বিপুল পরিমাণ ব্রিটিশ পর্যটক পর্তুগালের অর্থনীতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। অপরদিকে যুক্তরাজ্যে অনেক পর্তুগীজ নাগরিকদের বসবাস। তারাও গ্রীষ্মের ছুটিতে পর্তুগালে পরিবারের সঙ্গে অবকাশ যাপন করতে আসেন।

ইতোমধ্যে মালটা, ইসরাইলসহ বেশকিছু দেশ যুক্তরাজ্যের ভ্রমণের ট্রাফিক লাইট সিস্টেমের সবুজ জোনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পর্যালোচনা শেষে কিছু শর্তসাপেক্ষে খুব শিগগিরই পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য সরকার।

Leave a Reply