পর্তুগাল বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বাধীনতার  সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন
পর্তুগাল বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

পর্তুগাল বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল :
পর্তুগাল এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন উদযাপন করা হয়। দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন।
গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এর জন্য করোনা মহামারীর কারণে বিধিনিষেধে থাকায় জুম প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে অনলাইনে গৌরবোজ্জ্বল ঔ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগিজ পার্লামেন্টের সদস্য এবং পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র ও পর্তুগিজ কমিউনিটি বিষয়ক কমিটির সদস্য জনাব পাওলো নেভেস এবং লিসবনের বাংলাদেশী অধ্যূসিত পৌর এলাকা সান্তা মারিয়া মাইওর-এর কাউন্সিল সভাপতি জনাব মিগুয়েল কোয়েলহো সহ পর্তুগালের  বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ , বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ এবং প্রবাসী সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জুম প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে অনলাইনে গৌরবোজ্জ্বল ঔ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়

আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান  তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল বীরাঙ্গনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব এ উন্নয়ন মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ অনুসরণের কারণেই সম্ভব হয়েছে। এবং উপস্থিত পর্তুগিজ পার্লামেন্টের সদস্য জনাব জনাব পাওলো নেভেস. বাংলাদেশের গৌরবের এই স্বাধীনতার ৫০ বছরের সুবর্ণজয়ন্তীতে  বাঙালি জাতিকে অভিবাদন জানান তাছাড়া স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ভূয়শী প্রশংসা করেন এবং তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে সম্পৃক্ততা পর্তুগালের সামনে একটি বড় সুযোগ হিসেবে উপস্থাপন করেন।  শান্তা মারিয়া মাইয়র ফ্রেগজিয়ার প্রেসিডেন্ট স্থানীয় বাংলাদেশীদের অর্জন এবং কমিউনিটিতে বিভিন্ন অবদান নিয়ে বসে প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কমিউনিটি ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস উপস্থাপন করেন এবং বাংলাদেশের অর্জন গুলো সকলের সামনে তুলে ধরেন এবং সকল বাংলাদেশী ভেদাভেদ ভুলে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা সহ এখানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা যাতে তাদের সম্প্রীতি বজায় রেখে এ দেশের নিয়ম-কানুন মেনে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করতে পারে সে বিষয়ে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

Leave a Reply