প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সূবর্ণ জয়ন্তীর আয়োজন
প্রথম আলোর উত্তর আমেরিকার সূবর্ণ জয়ন্তীর আয়োজন

প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সূবর্ণ জয়ন্তীর আয়োজন

ইমিগ্রেশন নিউজ :

দূর দেশ থাকলেও বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া দেখলেই আমরা উদ্দীপ্ত হই। বাংলাদেশ নামের দেশ হয়েছিলো বলেই আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশের পরিচয় নিয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছি। আমাদের ক্রমাগত এগিয়ে যেতে হবে স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে।

প্রবাসে দেশের দূত হয়ে ভালো কাজ করার মধ্য দিয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করতে হবে। দেশপ্রেম আর দেশের রাজনীতিকে এক না করেই প্রবাসে ঐক্য আর সহমর্মিতা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশের বাইরে থাকা প্রত্যেক প্রবাসী বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। এমন যোগ্য প্রতিনিধিত্বের মধ্য দিয়েই দেশের বাইরে বাংলাদেশের সুনাম দিনে দনে বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্বের রাজধানী নামে খ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরীর চৌকস পুলিশ কর্মকর্তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তী অনুষ্টানে এসব কথা বলেছেন। নগরীর জ্যাকসন হাইটসে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার আয়োজনে ২৬ মার্চ শুক্রবার এ অনুষ্টান অনুষ্টিত হয়। বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন( বাপা) সভাপতি ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী এনওয়াইপিডিতে কর্মরত বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বেশ কিছু পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি অনুষ্টানে। অনুষ্টানের শুরুতেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ মহান স্বাধীনতার দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে আত্মাহুতি দেয়া লোকজনকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী পুলিশ কর্মকর্তাদের লেখক সাংবাদিকদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখতে গিয়ে ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী বলেন , বিশ্বের সবচেয়ে চাঞ্চল্যের নগরীতে আমরা প্রতিদিন দায়িত্ব পালন করলেও বাংলাদেশের নাম শুনলে আমাদের বুকে চাঞ্চল্য আসে।

প্রথম আলোর উত্তর আমেরিকার সূবর্ণ জয়ন্তীর আয়োজন

নিউইয়র্কে বাংলাদেশী জনসমাজের পাশে থাকার বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তারা সব সময় আন্তরিক বলে তিনি জানালেন। উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের অনেকেই দেশের বাইরে জন্ম বা বড় হয়ে উঠা হলেও অনুষ্টানে তাঁরা সবাই বাংলায় বক্তৃতা দিয়ে বাংলাদেশের পতাকাকে অভিবাদন জানিয়েছেন। ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন , নিউইয়র্কে কোন বাংলাদেশী বিদ্বেষমুলক হামলার শিকার হলে বা আইন শৃংখলাজনিত যেকোন প্রয়োজনে যেন তাঁদের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করা হয়। সম্ভাব্য সব সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশী জনসমাজের পক্ষে তারা দাঁড়াবেন বলে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্টানে আবার জানিয়েছেন। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সাথে জড়িত লেখক সাংবাদিকদের মধ্যে নারীরা লাল সবুজ শাড়ি পরে অনুষ্টানে যোগ দেন।

প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা’র অফিস সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকায় আলোচনা পর্ব শেষে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে। চমৎকার আবহাওয়ার মধ্যে নগরীর রাজপথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের পঞ্চাশ বছর পূর্তির শোভাযাত্রায় বিদেশীদেরও যোগ দিতে দেখা যায়। বহু জাতিগোস্টির নগরী নিউইয়র্কের ভিনদেশী লোকজন শোভাযাত্রায় যোগ দিয়ে বাংলাদেশের প্রতি তাঁদের অভিনন্দন জানান।

৭২ স্ট্রিট এবং ব্রোডওয়ে ধরে শোভাযাত্রাটি ডাইভারসিটি প্লাজায় পৌঁছে সমবেত জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মধ্য মধ্য দিয়ে অনুষ্টানের সমাপ্তি ঘটে। বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সার্জেন্ট এরশাদ সিদ্দিকী, জেনারেল সেক্রেটারি লেফটেনেন্ট প্রিন্স আলম , পুলিশ কর্মকর্তা সারওয়ার মামুন, মাহবুবুর জুয়েল, জাসিম মিয়া, অক্সিলারী লেফটেনেন্ট সৈয়দ এনায়েত আলী, ট্রাফিক সুপারভাইজার আলী চৌধুরী, রাশেক মালিক, ট্রাফিক ইউনিয়ন সি ডব্লিউ এ ডেলিকেট সৈয়দ উৎবা, সি ডব্লিউ এ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলবার্ট সোলো। লেখক সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন ইশতিয়াক রূপু, রহমান মাহবুব, রওশন হক, আব্দুশ শহীদ, শেলী জামান খান, জাহিদা আলম , স্নো ফ্লেক্স, ফরহাদ চৌধুরী,তোফাজ্জল লিটন, ভায়লা সালিনা, মনজুরুল হক, শারমিন জাহান, রেজোয়ানা আলম, জাহানারা বেগম, সায়ান সাদিক , রোকেয়া দীপা , শিল্পী পাপী মনা,আখতার নাসিমা, আহবাব চৌধুরী, মামুন সর্দার এবং সানজিদা উর্মি।

Leave a Reply