বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি ও একাগ্রতা অসাধারণ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি ও একাগ্রতা অসাধারণ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি ও একাগ্রতা অসাধারণ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার

ইমিগ্রেশন নিউজ ডেস্ক : বিশ্বের দেশে দেশে বহু বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। ইউরোপ-কানাডা-আমেরিকা সহ বিশ্বের নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদেও কৃতিত্বের সাক্ষর রাখছেন বাংলাদেশি মেধাবীমুখগুলো। গবেষণা, উদ্ভাবন, নেতৃত্বদান, সংস্কৃতি, রাজনীতিক সহ নানা ক্ষেত্রে তারা অবদান রেখে চলেছে।
এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। বিভিন্ন তথ্য মতে, ৮ হাজারের অধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে উচ্চশিক্ষায় নিয়োজিত, যারা নানা ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রাখছে। আর তা স্বীকার করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে পড়তে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও প্রশংসা করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার বলেছেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা ও উদ্ভাবনী শক্তি অসাধারণ।
সম্প্রতি এডুকেশন-ইউএসএ দল এর এক ভার্চুয়াল আলোচনায় এ মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত।
২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়ন করতে ইচ্ছুকদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এডুকেশন ইউএসএ দল। সেখানে রাষ্ট্রদূত মিলার স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
এসময় তিনি শিক্ষার্থীদেরকে তাদের নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে এবং সৃষ্টিশীল, প্রাতিষ্ঠানিক, পেশাগত ও ব্যক্তিগত বিকাশ সাধনের এই রোমাঞ্চকর অভিযানে যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতির জন্য নিঃসঙ্কোচে অন্যদের সহায়তা নিতে উৎসাহিত করেন। অধিক পরিমাণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করতে পারেন সে বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছেন বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
সাধারণত স্বার্থক একটি প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীরা আমেরিকা জুড়ে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান প্রতিবছর।

এডুকেশন-ইউএসএ দল এর এক ভার্চুয়াল আলোচনা

অনুষ্ঠানে আরো বক্তাদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কনস্যুলার সেকশন এবং এডুকেশন-ইউএসএ’র প্রতিনিধি, যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তি বিষয়ক কর্মকর্তা, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং আমেরিকান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’র প্রেসিডেন্ট সহ অনেকে।
যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে গিয়ে শিক্ষার্থীরা সম্ভাব্য যেসব প্রাতিষ্ঠানিক, সাংস্কৃতিক ও জীবনযাত্রার পার্থক্য প্রত্যক্ষ করবেন সে সম্পর্কে ব্যবহারিক পরামর্শ ও বিচিত্র দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন বক্তারা। অধ্যয়ন ও শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস যেসব নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে সে বিষয়গুলো গুরুত্ব পায় আলোচনায়।
যুক্তরাষ্ট্রগামী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ২০০৯ সাল থেকে তিনগুণ হয়েছে এবং গতবছর নতুন করে এযাবতকালের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। এই বছর যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা গত শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত ৮,৮০০ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর সাথে যুক্ত হবেন।

Leave a Reply