বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ
মেঘ-পাহাড়ের মিতালির পর্যটনকেন্দ্র সাজেক। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ

ইমিগ্রেশন নিউজ ডেস্ক
মহামারি করোনাভাইরাস আবারও চোখ রাঙাচ্ছে বাংলাদেশকে। প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃতের হার পূর্ব পরিসংখ্যানকে অতিক্রম করছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশ সরকার  গ্রহণ করেছে করোনা মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ। সেই পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই এবার তিন পার্বত্য জেলার পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এক ঘোষণায় বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সকল পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকার কথা বলা
হয়। সংশ্লিষ্ট তিন জেলার প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা এসেছে।

রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতৃু।

এই বিষয়ে বান্দরবানের জেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ১ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের জন্য জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সময় সারাদেশের মতো যানবাহনে সিট সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিতে পারবে। দুই আসনে একজন করে যেকোনো গণপরিবহণে মোট ৫০ ভাগ যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে। এর পাশাপাশি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এরপর করোনা পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে আবাসিক হোটেল-মোটেল খোলা থাকবে বলা হয়েছে। কেননা, অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে হোটেলে অবস্থান করতে পারেন। এ কারণে প্রত্যেক আবাসিক মোটেল-মোটেলেও যতটুকু আবাসনের ব্যবস্থা আছে তার অর্ধেক অতিথি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে সকল ধরণের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলা হলেও আগে থেকে অনুমোদন দেওয়া কিছু ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে সীমিত আকারে সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে জানান জেলা শাসনের পক্ষ থেকে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এসেছে প্রায় একই ধরনের ঘোষণা।   বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে ১৪ দিন জেলার সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের প্রবেশ  নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাত ১০ টার পর জরুরি সেবার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ও পরিবহন ছাড়া সাধারণের চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সাথে সভা সমাবেশও বন্ধ থাকবে। জনস্বার্থে এবং নিজেদের স্বার্থে আপাতত ভ্রমণ থেকে বিরত থাকাই উত্তম বলা হয়েছে রাঙামাটি জেলা থেকেও। একই রকম বিধিনিষেধে আপাতত ভ্রমণের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলছে প্রশাসন। এর আগে গত বছরের ১৮ মার্চ মহামারী প্রতিরোধে জেলায় পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রায় ৫ মাস পর ২৮ অগাস্ট বিশেষ শর্তে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খোলা হয়।

Leave a Reply