বিশ্বখ্যাত ল্যুভ জাদুঘরের শীর্ষপদে প্রথম নারী লরেন্স দ্যে কারস
ফরাসী বিপ্লবের জাগরণে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরের প্রেসিডেন্ট-ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেলেন লরেন্স দ্যে কারস।

বিশ্বখ্যাত ল্যুভ জাদুঘরের শীর্ষপদে প্রথম নারী লরেন্স দ্যে কারস

ইমিগ্রেশন নিউজ ডেস্ক :

বিশ্বখ্যাত ল্যুভ মিউজিয়াম তার ২২৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম শীর্ষপদে কোনো একজন নারীকে অধিষ্ঠান করাচ্ছে। ফরাসী বিপ্লবের জাগরণে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরের প্রেসিডেন্ট-ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেলেন লরেন্স দ্যে কারস। বুধবার তাকে এই নিয়োগ দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ৫৪ বছরের এই নারী এর আগে দ্য’ওরসার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আগামী ১ সেপ্টেম্বর তিনি দায়িত্ব বুঝে নেবে জ্যঁ লুক মার্টিনেজের কাছ থেকে। তিনি গত ৮ বছর ধরে সামলে আসছেন বিশ্বের পর্যটকদের অন্যতম গন্তব্য এই ল্যুভ মিউজিয়াম। 

মার্টিনেজ অবশ্য তৃতীয় দফায়ও এই পদে থাকার জন্য আবেদন করেছিলেন। শ্রমজীবী শ্রেণি থেকে উঠে আসা নৃবিজ্ঞানী মার্টিনেজ ২০১৩ সালে ল্যুভ’র পরিচালকের পদ পান। সেটিও ছিলো একটি নতুন ইতিহাস। এর আগে ল্যুভের দেখভালে শীর্ষ পদে উচ্চশ্রেণির ইতিহাসবেত্তাদেরই সুযোগ হয়েছিলো। 

ফরাসী বিপ্লবের জাগরণে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরের প্রেসিডেন্ট-ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেলেন লরেন্স দ্যে কারস।

প্রথম নারী হিসেবে হলেও লরেন্স দ্যে কারস এর নিয়োগ সেই সনাতনী ধারাতেই ফিরে যাওয়া হিসেবে দেখছে অনেকে। ফ্রান্সের অভিজাত লেখক পরিবারে জন্ম নেওয়া লরেন্স ঊনবিংশ শতাব্দীর চিত্রকলায় একজন বিশেষজ্ঞ। ১৯৯৪ সালে দ্য’ ওরসার কিউরেটর হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন দ্যে কারস। ২০০৭ সালে এজেন্সে ফ্রান্স মিউজিয়ামের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে ল’ওরানজেরি জাদুঘরের পরিচালকের পদ পান। ১০১৭ সালে ফের দ্য’ওরসায় ফিরে আসেন। সেখান থেকে এবার ল্যুভের শীর্ষপদ পেলেন এই নারী। 

ল্যুভ জাদুঘর বিশ্বের বৃহত্তম শিল্পকলা জাদুঘর এবং ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। শহরের কেন্দ্রভাগের এই বিশিষ্ট স্থাপনাটি সেন নদীর ডান তীরে শহরের ১ম আরোঁদিসমঁ বা ওয়ার্ডে অবস্থিত।

Leave a Reply