যুক্তরাজ্যের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৬ লাখ টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ
যুক্তরাজ্যের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৬ লাখ টিকা চায় সরকার

যুক্তরাজ্যের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৬ লাখ টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ

ই‌মি‌গ্রেশন নিউজ ডেস্ক : 

ভারতের টিকা রফতানি নিষেধাজ্ঞায় সংকট কাটাতে যুক্তরাজ্যের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৬ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন চেয়েছে সরকার। 

ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটের সাথে চুক্তি হয়েছিল ৩ কোটি ডোজের। কিন্তু দেশটির করোনা পরিস্থিরি কারণে টিকা পাওয়ার সম্ভাবনা কমই। এমন অবস্থায় বিকল্প টিকার সন্ধান করছে সরকার। চীন ও রাশিয়ার টিকা ইতোমধ্যে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। চীন থেকে উপহার হিসেবে ৫ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। টিকা সংকট মোকাবেলায় যা যথেষ্ট নয়। 

ইতোমধ্যে দেশে প্রথম ডোজ টিকাদান বন্ধ আছে এবং স্বলপ্তার কারণে দ্বিতীয় ডোজ টিকা পাচ্ছেন না ১৬ লাখ মানুষ। সে ঘাটতি পূরণে যুক্তরাজ্যের কাছে টিকা চাওয়া হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন। 

আইটিভি নিউজের সাথে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের টিকা পরিস্থিতি ‘সংকটে’ আছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আগামী ১২ সপ্তাহে বাংলাদেশের ১৬ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। ভারত ও যুক্তরাজ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন উৎপাদন হওয়ায় দেশটির কাছেই টিকা চাওয়া হয়েছে। তবে সক্ষমতা নেই জানিয়ে টিকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় যুক্তরাজ্য। 

এখনও টিকা পাওয়ার আশা করেন জানিয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, আমাদের বিশ্বাস আছে যুক্তরাজ্য সরকার চাইলে ১৬ লাখ টিকা দিতে পারবে। কারণ তাদের সে সক্ষমতা আছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্যের কাছে আমার বার্তা হলো তাদের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সহায়তায় আরও এগিয়ে আসা উচিত। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের ভালো বন্ধু। আমরা খুব বেশি ভ্যাকসিন চাইনা। আমি মাত্র ১৬ লাখ চাই যা দেশটির আছে। বাংলাদেশের মানুষ যাতে দ্বিতীয় ডোজ দিতে পারে তাই তাদের এগিয়ে আসা উচিৎ। 

এ বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র জানান, অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন উৎপাদন তা বন্টন নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের কোন ভূমিকা নেই। 

তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে যুক্তরাজ্য। নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত দেশগুলোর জন্য কোভ্যাক্স এর ৫৪৮ মিলিয়ন পাউন্ডের দেড় বিলিয়ন ডোজ সরবরাহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার কিছু অংশ ১২০ টি দেশে পৌঁছে গেছে। যার মধ্যে ৭০টিই নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত দেশ। 

তিনি আরও বলেন, বাকি ৪০০ মিলিয়ন বিতরণ করা হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার। সেগুলোও সরকারকে কিনতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নির্ধারণ করে দিয়েছেন যে পরবর্তীতে যেসব দেশকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে সেগুলো হবে কোভ্যাক্সের।   

Leave a Reply