রানী এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেছেন জো বাইডেন
রানী এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেছেন বাইডেন

রানী এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেছেন জো বাইডেন

ইমিগ্রেশন নিউজ ডেস্ক :

জো বাইডেন দেখা করেছেন ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথের সঙ্গে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ১২তম সিটিং প্রেসিডেন্ট যার দেখা হলো রানী এলিজাবেথের সঙ্গে। তবে সেটি বড় কথা নয়। বাইডেন এবারেও বো করেননি রানীর প্রতি। অর্থাৎ মাথা নুইয়ে জানাননি কুর্ণিশ। এর আগে এক তরুণ সিনেটর হিসেবে রানীর সঙ্গে যখন তার প্রথম দেখা সেদিনও তিনি করেননি কুর্ণিশ। বছর কয়েক আগে প্রকাশিত আত্মজীবনীতে বাইডেন সে কথা লিখেছেন।

সেবার যখন তিনি দেখা করতে যাবেন রানীর সঙ্গে তখন বাইডেনে আইরিশ বংশোদ্ভুত মা ফিনেগান যার বংশনাম, ছেলেকে বলে দিয়েছিলেন- তার দিকে কুর্ণিশ করতে যেও না। সেটি ছিলো ১৯৮২ সালের ঘটনা। এরপর গুনে গুনে ৪০টি বছরই কেটে গেছে। আর বাইডেন দেখা করলেন রাণির সঙ্গে। এবং কুর্ণিশ ছাড়াই তাদের সাক্ষাৎ হয়ে গেলো।  

রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথকে বাইডেন তাকে এক মহিয়সী নারী হিসেবেই উল্লেখ করলেন, এবং বললেন, উইন্ডসর ক্যাসলে যখন তাদের দেখা হলো তার তখন নিজের মায়ের কথাই মনে পড়ছিলো। আমাদের মধ্য বেশ ভালো কথা-বার্তা হয়েছে, বলেন বাইডেন। 

একটি কালো রেঞ্জ রোভারে চেপে ফার্স্টলেডিকে নিয়ে বাইডেন উইন্ডসর ক্যাসলে পৌঁছান। তখন বাইডেনের চোখে ছিলো তার সিগরেচার ফ্যাশন সেই বৈমানিকের সানগ্লাস। সেখানে তারা কিছুক্ষণ থাকেন আর ৯৫ বছর বয়সী ব্রিটিশ সম্রাজ্ঞীর সঙ্গে কিছুক্ষণ তাদের কথাবার্তা হয়। এরপর লাল পোশাকধারী ভল্লুকের চামড়ার হ্যাট পরা গ্রেনাডিয়ার গার্ডসম্যানদের ভালো করে দেখার জন্য চোখ থেকে চশমা জোড়া নামালেন। এবং বাইডেন ও রানী হেঁটে ক্যাসলের ভেতরে এগিয়ে গেলেন তাদের একান্ত আলোচনার জন্য। তাদের মধ্যে কথা-বার্তার হালকা শব্দ পাওয়া যাচ্ছিলো। 

লন্ডনের বাইরে উইন্ডসর ক্যাসেল জো এবং জিল বাইডেনের সঙ্গে রানীর এই সাক্ষাৎ করোনা মহামারি শুরুর পর কোনো বিশ্বনেতার সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ ছিলো।  আর এ বছরের গোড়ার দিকে স্বামী প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুর পর প্রথম জনসম্মখে এলেন তিনি। 

ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূলে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্মেলন শেষে তিনি যান রাণি এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করতে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর এটি তার প্রথম বিদেশ সফর। রাণির সঙ্গে সাক্ষাতের পর বাইডেন বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে যাবেন। সেখানে দুই দিন থেকে ন্যাটো সদরদফতরে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রশক্তিগুলোর সঙ্গে দেখা করবেন। পরে জেনেভার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। সেখানে তার আলাপ হবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে।

Leave a Reply