শত্রুর প্রতি ক্রোধ, বন্ধুর প্রতি শুভেচ্ছা
যে বন্ধু, শুভেচ্ছাটা সে পাবে। ক্রোধ পড়ে রইবে শত্রুর জন্য। যতদিন ক্ষমা না চাইবে, ততদিন পর্যন্ত ॥

শত্রুর প্রতি ক্রোধ, বন্ধুর প্রতি শুভেচ্ছা

আকতার হোসেন :

পঁচিশ বছর আগে আমি গিয়েছিলাম সেই দেশটিতে (ভারতে)। শুধু আমি নয়, সাথে ছিল আরো এক কোটি মানুষ। যারা যেতে চেয়েও যেতে পারেনি এমন লোকের সংখ্যা আরো কয়েক কোটি। পৃথিবীর অনেক দেশ আছে যার জনসংখ্যা এক কোটির নীচে। অথচ এই বিশাল পরিমাণ লোক গিয়ে উঠেছিলাম পড়শি দেশে ১৯৭১ সালে। শুরু থেকেই…ষড়যন্ত্র হয়েছিল সবাইকে পাকিস্তানী বানানোর, যেখানে বাংলা ভাষা থাকবে না, বাঙালিত্ব থাকবে না ; অধিকার, ন্যায় কিছুই থাকবে না। যখন বাঙালিরা বাধা দিল, অধিকার চাইল, রাহুর গ্রাস থেকে মুক্তি কামনা করল. পশ্চিমেরা তখন গুলি শুরু করল। গুলি করতে করতে ১৯৭১ সালে রীতিমত যুদ্ধ বাধিয়ে ফেলল। তখন ত্রিশ লক্ষ লোক মেরে ফেলা হল।

প্রাণ বাঁচাতে এক কোটি আশ্রয় নিলো সেই ভারতে যে ভারতকে কথায় কথায় শত্রুর দেশ বলতে শিখে গিয়েছিলাম আমরা। অথচ অতীতের সমস্ত ক্ষোভ ভুলে গিয়ে শুধু মানবতার কারণে বাংলার মানুষকে তারা সেদিন বরণ করে নিয়েছিল। এখনো ভাবতে অবাক লাগে একটি গরিব দেশ হয়েও ভারত কিভাবে আমাদের এতগুলো মুখে খাবার তুলে দিয়েছিল। মুক্তির জন্য দিয়েছিল অস্ত্র, পরিধেয় বস্ত্র, রক্তাক্ত দেহে পট্টি, কলেরা ডায়ারিয়ায় ওষুধ। এমনকি বিশ্বের দ্বারে দ্বারে আমাদের মুক্তি ও সাহায্যের জন্য হাতও পেতেছিল। সবশেষে আমাদের ভূখণ্ড শক্র মুক্ত করতে যুদ্ধে জড়িয়ে ভারতের সন্তানেরা প্রাণ পর্যন্ত দিয়েছিল। স্বাধীন হবার পর রাস্তাঘাট, বন্দর, নৌপথ রেলওয়ে, ব্রিজ ইত্যাদি মেরামত ও পরিষ্কার করে দিয়েছিল ওরা এসে। খালি হাতে শুধু গুড় চিড়া সম্বল করে আমরা ভারতে উঠেছিলাম। দু’বেলায় এক কোটি লোক যত মলমূত্র ত্যাগ করেছি তার সবটুকু পড়েছিল ওদের মাটিতে। স্কুল কলেজ বন্ধ করে ক্যাম্প বানিয়ে দিয়েছিল। মুক্তিবাহিনীরা লেফট রাইট করতে করতে কত ফসল মাড়িয়ে গিয়েছি তার হিসেব নেই।

বাকুণ্ডিয়া ক্যাম্পটির অস্ত্র রাখার রুমটি ছিল দুর্গা প্রতিমার পাশে। আমাদের অস্ত্র ঢুকে গেল তাদের দেবদেবীর ঘরে ! বাকুণ্ডিয়া ক্যাম্প যে জমিদারের জমিতে দাঁড়িয়েছিল সেই জমিদার, রাধা কিশোর ঘোষ ও তাঁর পরিবার ক্যাম্পের ছেলেদের জন্য পুকুরটি পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারতেন না। ১৯৭১ সালে শ্রী রাধা কিশোর ঘোষ ছিলেন পশ্চিম বাংলার বিধানসভার কংগ্রেস দলের সদস্য। নিবাস ছিল বশিরহাট মহকুমার বাকুণ্ডিয়া গ্রামে।… রাধা কিশোর ঘোষ বাবু একদিন আমাদের ক্যাম্পে এলেন। তিনি এসে দেখেন পাতলা কালো পলিথিন দিয়ে বানানো তাঁবুর নীচে আর একটি পলিথিনের উপর শুয়ে আমি শীতে কাঁপছি। মাথার নীচে তখন মাটির বালিশ ! এ-দৃশ্য দেখে ঘোষ বাবুর প্রাণ কেঁদে ওঠে। পরেরদিন ঘরের বাড়তি দু’টি কম্বল এনে একটি আমাকে ও অন্যটি দিলেন আর একজন মুক্তি’কে। আমরা কৃতজ্ঞ হলাম তাঁর কাছে।

আমাদের মায়েদের দোয়ার অধিকারী হলেন তিনি। এমনি হাজারো ঘোষ বাবুর কাছে আমরা ঋণী হয়ে আছি। একসময় ধলতীথা ক্যাম্প থেকে ক্যাপ্টেন সুলতানের বাকুণ্ডিয়া ক্যাম্পে বদলি হয়ে এলাম। ক্যাম্প ইনচার্জ সুলতান সাহেব আমার আব্বাকে চিনতেন। আব্বা তখন পাশের শাঁকচুড়া ক্যাম্প ইনচার্জ। যে তাঁবুতে সুলতান সাহেব আমাকে থাকতে দিয়েছিলেন সেখানে হটাৎ একদিন নতুন একটি গ্রুপ এসে যোগ দিল। আমরা যারা একসাথে থাকতাম সেই তাঁবুতে তাদের সকলের নাম এখন ঠিকমত মনে করতে পারবো না। তবুও যাদের নাম স্মৃতিতে ভেসে ওঠে তারা হলো অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে ইণ্টু (এখন কর্নেল), সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাগ্না মিনু (এখন কর্নেল সফিকুর রহমান), শেখ নাসেরের ছেলে শেখ হেলাল (এখন বাগেরহাট থেকে নির্বাচিত সাংসদ), প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন সাহেবের ভাগ্না ভুলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের ছাত্র ইমদাদুল হক (দুলুভাই), বঙ্গবন্ধুর চাচা খানসাহেব মোশারফ হোসেনের ছেলে মারুফ, আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ভাইপো সিরাজ, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতা সামসুদ্দোহা সাহেবের বড় ছেলে নাসিম (মোস্তফা সারোয়ার ভাতিজা) এবং আমি। নাসিম ভাই ছিলেন শেখ কামালের বন্ধু। চোখে চশমা পরতেন, চশমা চোখে নিয়েই পুকুরে ডুব দিয়ে গোসল করতেন।

আমার কৌতূহল হতো চশমা কেন ডুবে যায় না ! জিজ্ঞেস করে ফেললাম একদিন। ঘাড়ের লম্বা চুল সরিয়ে দেখালেন রাবার দিয়ে দু’দিকে বাঁধা। পরে ভীষণ লজ্জা পেয়েছিলাম। (এই নাসিম ভাইয়ের বিয়ে কিংবা বৌভাত খেয়ে ১৫ই আগস্টের গভীর রাতে, বঙ্গবন্ধু সপরিবারে বাসায় ফেরেন এবং তার কয়েক ঘণ্টা পরে ঘাতকের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হন বলে শুনেছি)। আমাদের সকলের ওস্তাদ ছিলেন নায়েক আব্দুর রশিদ। স্বাধীনতার পরে তাঁকে দেখেছি ভীষণ হতাশাগ্রস্ত ভাবে। বাকুণ্ডিয়া ক্যাম্পে থাকাকালীন একসময়ে আমার ভীষণ দাঁতে ব্যথা শুরু হয়। দাঁতের ব্যথাতে মানুষ মারা যায় কিনা জানি না কিন্তু আমার মনে হয়েছিল আমি হয়তো মরে যাবো। হয়তো মরেই যেতাম যদি ঘোষ বাবু আমার পাশে এসে না দাঁড়াতেন। ক্যাপ্টেন সুলতানের অনুরোধে তিনি আমাকে কোলকাতায় নিয়ে গেলেন। (বাকুন্ডিয়া জমিদার বাড়ি ছাড়াও ঘোষ বাবুর ছোট্ট একটি ভাড়া করা ঘর ছিল কলিকাতায়। ঠিক যেন অপুর সংসারের অপুর বাড়িটির মত) বাবুর সেই শ্যামবাজারের বাড়িতে গিয়ে বাংলাদেশের আরো কয়েকজন ছেলেকে সেখানে দেখতে পেলাম। মানে যেখানেই তাঁর থাকার জায়গা ছিল সেখানেই বাংলাদেশের ছেলেদের জায়গা দিয়েছিলেন। যাইহোক, ওদের একজনের নাম মতিন। অন্যজন সম্ভবত আলী। আলী ছিল মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র (সিলেট)। আর কোন নাম মনে নেই। মতিন আর আলী রাধা বাবুর পরামর্শে পরবর্তীতে আব্বার শাঁকচুড়া ক্যাম্পে যোগ দেয়। আলী তখন মন্নু ডাক্তারের (মোল্লাহটের) সাথে ক্যাম্পের চিকিৎসার দিকটা দেখতো। পাঁচ পাঁচটি দাঁতের চিকিৎসা হলো। পুরো এক সপ্তাহ লাগল তাতে। চারটিতে ফিলিং করা হলো আর একটাকে ফেলে দিতে হলো। সেই ফেলে দেওয়া দাঁতটির জায়গা এখনো ফাঁকা রয়ে গেছে। সেই এক সপ্তাহে ঘোষ বাবু আমাকে কোলকাতা দেখালেন। দাঁতের নীচে তুলা চেপে ট্রাম আর টানা রিকশাতে করে কোলকাতা দেখেছি। কোলকাতার নিউমার্কেট থেকে ঘোষ বাবু একটি টার্টেল নেক গেঞ্জি আর সাথে রাজেশ খান্না পাঞ্জাবি কিনে দিয়েছিলেন। মতিন ও আলী ভাইকেও রাজেশ খান্না পাঞ্জাবি ও গেঞ্জি কিনে দিয়েছিলেন। খুব ভালবাসতেন মা-বাবা থেকে বিচ্ছিন্ন বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের।

রাধা কিশোর বাবু আমাকে কোলকাতায় কয়েকটি পরিবারের সাথেও পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, কি বলেছিলেন তাদের কে জানে। বেশ খাবার দিত সকালে। খুব যত্ন ছিল সে খাবার পরিবেশনে, মায়ের মত গৃহকর্ত্রীরা পাশে থাকতেন। ছোট ছোট বাচ্চারা উঁকি দিয়ে মুক্তিবাহিনীকে দেখতো। ঐ সমস্ত শিশুদের অনেক পিতামাতা আমার মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করেছেন। বলেছেন, ‘ভেবো না খোকা। তোমাদের মত ছেলেরা যখন যুদ্ধ করছ তোমাদের দেশ জয় বাংলা (স্বাধীন) না হয়ে পারবে না।’ আমি এখন আর খোকা নই। দোয়া করার বয়স আমারও হয়েছে। ঠিকমত খেতে পেতাম না ভেবে যারা যত্ন করে খাইয়েছেন, মাথায় হাত বুলিয়েছেন, আল্লাহ্ তাঁদের মঙ্গল করুন। আজ পঁচিশ বছর পরে ভারতের জনসাধারণের সে মহানুভবতার কথা ভুলে গিয়ে রৌপ্য জয়ন্তী উদযাপন করলে এক অকৃতজ্ঞ জাতিতে পরিণত হব।

মুক্তিযুদ্ধের শহীদ আত্মা এবং জীবিত সত্ত্বার পক্ষ থেকে তাদেরকে জানই গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক ধন্যবাদ। অনেকে হয়তো ইতিমধ্যে আমাকে দালাল বলে চিহ্নিত করে ফেলেছেন। দালাল বলেন আর যাই বলেন আমি ভারতের কাছ থেকে কোনকিছু লাভের আশা করি না। দেশের জন্য শুধুমাত্র বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা ছাড়া। পুরুষমানুষ তাই ভারতের শাড়ি কাপড়ও পরি না। ভারতের ডিম-দুধও খাই না। ভারতের গরু কোরবানি দিয়েছি বলে মনে পড়ে না। ভারতের আদা-রসুন তেজপাতা শুকনা মরিচ দিয়ে যে তরকারি রেঁধেছে, আর যে আমদানি বা চোরাচালান করেছে তাদেরই জানার কথা যে ওগুলোর ব্যবহার হারাম কিনা।

মানুষ তাজমহল কুতুবমিনার দেখতে যায়। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শেখায়, কিডনি চিকিৎসা, বিয়ের বাজার করতে ভারতে যায়। আমি এর কিছুই করিনি তবুও দালাল দোষ থেকে মুক্তি পাব কিনা জানি না। গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্‌সা দেয়নি, আদায় করে নেব। জাতিসঙ্ঘে যে নালিশ হয়েছে তা সহ আন্তর্জাতিক, দ্বিপাক্ষিক সব আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা সবকিছুকে সমর্থন দিয়ে এসেছি। ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে জাপানকে জাতিসঙ্ঘে জয়ী করা হয়েছে, ভারতকে তোয়াক্কা না করে বঙ্গবন্ধু ইসলামী সম্মেলনে পাকিস্তান গিয়েছিলেন, ভারতীয় সৈন্য বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল। সবই তো বাংলাদেশের সার্বভৌম ও স্বাধীনতার পক্ষে বলে মনে করি।

আমাদের ভারতের দালাল থেকে হিন্দুদের দালাল বলে প্রোমোশন দিলেও বলবো, এটাই বাস্তবতা। এ থেকে পিছপা হবার সম্ভাবনা খুবই কম। পাছে লোকে কিছু বলে, সে-ভয় আমাদের নেই। যারা রাজনীতি করে তাদের সেই ভয় থাকে। প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেত্রীর থাকবে। স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সমস্ত শহীদের আত্মা, তাদের পরিবার-পরিজন, এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে লড়াই করা প্রতিটি বাংলাদেশের নাগরিকের পক্ষ থেকে আমরা বাংলাদেশ সরকারকে একটি অনুরোধ করতে চাই। আজ পঁচিশ বৎসর পর ভারতের সাথে চুক্তি নবায়ন করার প্রয়োজনীয়তা হয়তো নেই, তবে তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা ও বন্ধুত্ব নবায়নের প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানের চক্রান্ত এখনো যেহেতু বন্ধ হয়নি। তাদের বিষদাঁত না ভাঙ্গা পর্যন্ত আমরা কিভাবে নিরাপত্তা বোধ করবো ? তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত ধন্যবাদ লিপি ‘আমরা তোমাদের ভুলবো না’ উড়ে যাক দেশ-বিদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বন্ধুদের নিকট।

একবছর নাহয় দুই তিনবছর ধরে খুঁজুন সেই সব দরদী হৃদয়, সহযোগী সংগঠন এবং বন্ধু প্রতিম দেশগুলোকে, যারা পঁচিশ বছর আগে ছিল আমাদের পাশে। দেশ থেকে দেশান্তরে উড়ে যাক এক সাগর রক্তের শুভেচ্ছা। ঘোষ বাবু, আমি দেশে ফিরে এস.এস.সি. পরীক্ষা দিয়েছি। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা শেষ করে, কিছুদিন চাকুরী করে বিয়ে পর বর্তমানে স্ত্রী ও দুই পুত্র সন্তান নিয়ে ক্যানাডাতে বসবাস করছি। ক্যাম্পে আমার ঠাণ্ডা লেগেছিল তাই একটি হরলিক্স কিনে দিয়েছিলেন। এরপর জীবনে কখনো হরলিক্স খেতে পারিনি। হরলিক্সের বোতল দেখলেই আপনার কথা মনে পড়ে যায়। আপনাদের গ্রামের ছোট ছেলে রবীকে মনে পড়ে। রবী ওদের ঘরে নিয়ে গিয়ে মাঝে মাঝে গুড়মুড়ি খেতে দিত। আমি আর সিরাজ রবীকে খুব ভালবাসতাম। ওর বোন রেখা ও মেজদিকে এখনো ভুলতে পারিনি।

ক্যাম্পের ভিতরের মুদি দোকানের মালিক রহমান চাচাকে কিভাবে ভুলি বলুন ? আপনার সাথে আর কখনো দেখা হয়নি। সুযোগ পেলে আর একবার ভারতের মাটিতে পা রাখবো। পঁচিশ বছর পর আপনি আছেন তো ? দালাল বলুক আর যাই বলুক, আপনি বেঁচে থাকলে আপনার পায়ের ধুলো নেব। বাংলাদেশে ঢুকবার আগে গলা জড়িয়ে ধরে যেভাবে কেঁদেছিলাম সেভাবে আর একবার কাঁদবো। ভেবেছেন হয়তো ভুলে গেছি। না, ভুলিনি। এক সাগর রক্তের মধ্যে শত্রুর প্রতি ক্রোধ আর বন্ধুর জন্য শুভেচ্ছা সাঁতার কাটছে।

যে বন্ধু, শুভেচ্ছাটা সে পাবে। ক্রোধ পড়ে রইবে শত্রুর জন্য। যতদিন ক্ষমা না চাইবে, ততদিন পর্যন্ত ।

মুক্তিসন / ২৬ (১৯৯৬)সাপ্তাহিক দেশে বিদেশে, টরেন্টো / কানাডা

Leave a Reply