শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ কর্মকর্তা মাসুকের প্রশংসা সনদ অর্জন

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ কর্মকর্তা মাসুকের প্রশংসা সনদ অর্জন

রীতা বেগম, সুদান থেকে 
দারফুর শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ কর্মকর্তা মাসুকের প্রশংসা সনদ অর্জন
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের সেনা, র‌্যাব ও পুলিশের অসংখ্য
কর্মকর্তা কৃতিত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। মানবতার জন্য উজাড় করে তারা
জাতিসংঘের হয়ে কাজ করছেন। নিজেদের কাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় সম্মানিত
হন, প্রশংসিত ও পুরস্কৃতও হন তারা।

এমনই একজন পুলিশ কর্মকর্তা সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষা মিশনে প্রশংসিত
হলেন।  ‘পরিশ্রম ও কর্মদক্ষতার’ জন্য ‘প্রশংসা সনদ’ অর্জন করেছেন সেখানে
কর্মরত বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের অপারেশন অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার মাসুক মিয়া।

বৃহস্পতিবার দারফুরে এলফেশার সুপার ক্যাম্পের বঙ্গবন্ধু ক্যাম্পে তাকে
সনদ তুলে দেওয়া হয়। সনদ তুলে দেন দেশটিতে নিযুক্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা
মিশনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার সুলতান আজম তিমুরি

মাসুক ২০১৯ সালের ২৫ মে সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দেন। এরপর
সেখানে নিয়ালা সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা দিয়ে সরকারের কাছে ক্যাম্প
হস্তান্তর করেন। সেখানকার কুটুম টিম সাইটের ফাতাবর্ন আইডিপি ক্যাম্পে
বাস্তুচ্যুত মানুষকে নিরাপত্তা প্রদান করেন তিনি। এতে ব্যাপক প্রশংসিত হন
মাসুক।

পরবর্তীতে এলফেশার সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান করেন। এছাড়াও
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে জাতিসংঘের কোভিড-১৯ গাইডলাইন মেনে দক্ষতার
সাথে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনাসহ জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টাস থেকে আগত
বিভিন্ন ভিআইপিদের এসকর্ট দেন বাংলাদেশি এই পুলিশ কর্মকর্তা। সুদানে
শান্তিরক্ষায় অবদানের জন্য এ মাসের শুরুতে ‘জাতিসংঘ শান্তি পদক’ও পেয়েছেন
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া।

মাসুক পড়ালেখা করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
বিভাগে। এরপর পুলিশে যোগদান করেন। আগামী ১১ মার্চ দেশে ফেরার কথা রয়েছে
তার।

 সুদানের দারফুরে জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের একজন সদস্য
হিসেবে  কাজ করতে পেরে সৌভাগ্যবান মনে করেন নিজেকে। আর নিজ কাজের প্রশংসা বা স্বীকৃতি পেলে পরবর্তীতে আরও ভালো কাজের অনুপ্রেরণা পান বলে মনে করেন
তিনি।

Leave a Reply