স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান-জাতিসংঘের ১০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি

স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান-জাতিসংঘের ১০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি

কক্সবাজারের টেকনাফের স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও রোহিঙ্গাদের পানি সরবরাহ এবং
বন্টন ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সম্পাদন করেছে
জাপান সরকার এবং জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর। ইউএনএইচসিআর
বাংলাদেশ এর ঢাকা কার্যালয়ে সম্পাদিত একটি অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত
হয়। এতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত  জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি
এবং জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা বাংলাদেশ এর সহকারি প্রতিনিধি ফুমিকো
কাশিওয়া।

টেকনাফ উপজেলা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা
নিশ্চিতকরণে দীর্ঘদিন বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবেলা করছে। রোহিঙ্গা
জনগোষ্ঠী আশ্রয় নিলে সম্প্রতি এই পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে ওঠে। এমন
পরিস্থিতিতে এই সহায়তা চুক্তি পানি সরবরাহ স্থিতিশীল এবং উভয় জনগোষ্ঠীর
জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অবদান রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পটি তিনবছর মেয়াদে বাস্তবায়িত হবে এবং প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারসহ
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসক কক্সবাজারের সহযোগিতা ও
নেতৃত্বের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে বলেও জানিয়েছে তারা।

এই বিষয়ে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা বাংলাদেশের সহকারি প্রতিনিধি ফুমিকো
কাশিওয়া বলেন, অগাস্ট ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আগমন শুরু হলে
টেকনাফ এবং উখিয়াতে অবস্থানরত স্থানীয় জনগোষ্ঠী সর্বপ্রথম রোহিঙ্গা
জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়াসহ খাবার ও পানি সরবরাহ করে। স্থায়ী সমাধান না হওয়া
পর্যন্ত বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণ উদারভাবে এই সঙ্কাটাপন্ন জনগোষ্ঠীর
জন্য সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা, জাপান সরকারের
সহযোগিতায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার
জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।

জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা
জনগোষ্ঠীকে এখন পর্যন্ত সফলভাবে সহায়তা প্রদানের জন্য আমি জাতিসংঘ
শরণার্থী সংস্থার প্রশংসা করি। এই প্রকল্পটি থেকে স্থানীয় এবং রোহিঙ্গা
জনগোষ্ঠী উভয়ই সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

Leave a Reply