স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে লন্ডনে বিশেষ আয়োজন
৪ জুলাই আয়োজিত অনুষ্ঠানে গল্পে গল্পে উঠে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সেই বীরত্বগাথা।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে লন্ডনে বিশেষ আয়োজন

মিল্টন রহমান,লন্ডন :

বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে লন্ডনে আয়োজিত হলো অসামান্য এক অনুষ্ঠান। বাঙালি–অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের টয়েনবি হল, স্বাধীনতা ট্রাস্ট ও টাওয়ার হ্যামলেট আর্কাইভের যৌথ উদ্যোগে ৪ জুলাই আয়োজিত অনুষ্ঠানে গল্পে গল্পে উঠে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সেই বীরত্বগাথা। একাত্তরে বিশেষ করে বিলেতে বসে যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে মানসিক ও আর্থিক সহায়তা করেছিলেন, তাঁরা এবং তাঁদের সেই সময়ের কর্মতৎপরতার স্থানগুলো উঠে এসেছে।

এই কর্মযজ্ঞের শৈল্পিক উপস্থাপনের জন্য কবি শামীম আজাদ তৈরি করেন পাঁচটি গল্প। অনুষ্ঠানের শুরুতে টয়েনবি হল থেকে হেঁটে পূর্ব লন্ডনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে উপস্থিত হয়ে তিনি গল্পগুলো উপস্থাপন করেন। একের পর এক তিনি এবং পুরো দল বাংলা টাউন, সাপ্তাহিক জনমত, নজরুল সেন্টার, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন হয়ে গল্প উপস্থাপন করেন, টয়েনবি হল, আলতাব আলী পার্ক, ফ্লাওয়ার অ্যান্ড ডিন ওয়াক, সিকসেন্ড সেন্ট পার্ক ও ক্রাইস্ট চার্চ পার্কে। গল্পে উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধুসহ একাত্তরে বিলেত থেকে বিশেষ ভূমিকা রাখা সেই সব কৃতী পুরুষের কথা, যাঁরা একাত্তরে প্রবাসে থেকেও মাতৃভূমির জন্য নিবেদন করেছিলেন নিজেকে।

পূর্ব লন্ডনের টয়েনবি হল, স্বাধীনতা ট্রাস্ট ও টাওয়ার হ্যামলেট আর্কাইভের যৌথ উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকাও উঠে এসেছে। গল্পের ফাঁকে ফাঁকে উপস্থাপন করা হয় গান। এতে অংশগ্রহণ করেন পল বার্জেস ও অমিত দে। পরিবেশন করা হয় জর্জ হ্যারিসনের গানসহ রবীন্দ্র ও নজরুলসংগীত এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান। বিভিন্ন স্থানে অভিনব উপস্থাপনে উপস্থিত শ্রোতা-দর্শক গান ও গল্পের মধ্য দিয়ে দেখেন কীভাবে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অভ্যুদয় হয়েছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।

Leave a Reply